| বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড |
গ্রাহকের শ্রেণী বিন্যাস
বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ o মোট আমদানী ১০.৫০ মেগাওয়াট এবং সিস্টেম লস ১২.০০%। o মোট বার্ষিক রাজস্ব আয় ৩৬.৯০ কোটি টাকা। o বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীর সংখ্যা। গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’- এ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট/ বিল/ মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, বিল পরিশোধের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে। নতুন সংযোগ গ্রহণঃ o ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে। o আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত আবেদন ফি নির্দিষ্ট ব্যাংক বুথ/শাখা অথবা ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’/ দপ্তরে জমা প্রদান করে জমা রশিদ ও প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’- এ জমা করলে আপনাকে একটি নিবন্ধন নম্বরসহ পরবর্তী আগমনের তারিখ জানানো হবে। o ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ থেকে নতুন সংযোগ গ্রহনের নিয়মাবলী ও এতদসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রয়োজনবোধে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে সংগ্রহ করা যাবে।
বিল সংক্রান্ত অভিযোগ বিল সংক্রান্ত যেকোন অভিযোগ যেমনঃ চলতি মাসের বিল পাওয়া যায়নি, বকেয়া বিল, অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’- এ যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক সমাধান সম্ভব হলে তা নিস্পত্তি করা হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবর্তী ৭(সাত) দিনের মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিল পরিশোধ o ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ সংলগ্ন ব্যাংক বুথ/নির্ধারিত ব্যাংক/দপ্তর- এ গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে পারবেন। o ইলেকট্রনিক বিল পে-এর আওতাভূক্ত এলাকায় Point of Sale (POS) এর মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা যাবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিটের নির্দিষ্ট ‘‘অভিযোগ কেন্দ্র’’ অথবা ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’- এ আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিস্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে। অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভূত করার লক্ষ্যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে যদি নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভূত করা সম্ভব না হয়, তার কারণ গ্রাহককে অব্যহিত করা হবে। নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি o সংযোগ গ্রহনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২(দুই) কপি সত্যায়িত ছবি। o জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি। o সিটি কর্পোরেশন/ নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ/ পৌরসভা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাড়ীর অনুমোদিত সত্যায়িত নক্সা এবং অথবা সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা/ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নাম জারীসহ হোল্ডিং নম্বর- এর সত্যায়িত কপি ও দলিল অথবা দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, জমির দলিল, কমিশনারের সার্টিফিকেট (যেখানে নক্সা অনুমোদন নাই)। o লোড চাহিদার পরিমান। o জমি/ ভবনের ভাড়ার দলিল (যদি প্রযোজ্য হয়)। o ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্মতি পত্রের দলিল। o পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি। o বৈধ লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রদত্ত ইন্সটলেশন টেস্ট (ওয়ারিং) সার্টিফিকেট। o ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। o সংযোগ স্থানের নির্দেশক নক্সা। o শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন। o পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (শিল্পের ক্ষেত্রে)। o সার্ভিস লাইনের দৈর্ঘ্য ১০০ ফুটের বেশী হবে না। o বহুতল আবাসিক/ বানিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্ল্যাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যায়িত কপি।
নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি o সিঙ্গেল ফেইজ (২-তার) ২৩০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ১৫.০০ টাকা। o থ্রী ফেইজ (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ১৫.০০ টাকা। o থ্রী ফেইজ (৩-তার) ১১০০০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ২৫০.০০ টাকা। o অস্থায়ী (২-তার) ২৩০ ভোল্ট (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ২৫০.০০ টাকা। নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমান o সিঙ্গেল ফেইজ (২-তার) ২৩০ ভোল্ট আবাসিক ও বানিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট (Kilowatt) লোডের জন্য ৩৭৫.০০ টাকা। o থ্রী ফেইজ (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট আবাসিক ও বানিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট (Kilowatt) লোডের জন্য ৫৫০.০০ টাকা। o থ্রী ফেইজ (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সেচ, অনাবাসিক, ক্ষুদ্রশিল্প সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট (Kilowatt) লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকা। o থ্রী ফেইজ (৩-তার) ১১০০০ ভোল্ট সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট (Kilowatt) লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকা। লোড পরিবর্তন o নতুন পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে। o চুক্তি পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে। o লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করিতে হইবে। o অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/ মিটার বদলানো প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করিতে হইবে। o প্রাক্কলন ও জামানতের অর্থ জমা দানে ৭(সাত) দিনের মধ্যে লোড বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে। যদি লোড বৃদ্ধি করা সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেওয়া হবে। গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতি গ্রাহক ক্রয় সূত্রে/ ওয়ারিশ সূত্রে/ লিজ সূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপিসহ নির্দ্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা করে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয় o সান্ধ্য পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে। o সংযোগ বিচ্ছিন্নতা এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন। o বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় কল্পে মানসম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব (CFL) ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন। o টিউব লাইটে Electronic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন। o বিদ্যুৎ একটি জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠ ও পরিমিত ব্যবহারে ভূমিকা রাখুন। o বৎসরান্তে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ/ ইএসইউ হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রমান পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে। o মিটার রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক সুষ্ঠ অবস্থা ও সীল সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। o লোড সেডিং সংক্রান্ত তথ্য সংস্থা সমূহের ওয়েব সাইট থেকে জানা যাবে। যদি কোন কারনে ওয়েব সাইট থেকে তথ্য না পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার আওতাধীন কন্ট্রোল রুম, অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে। বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে বিরত করুন।
|